বৈঠকে সিদ্ধান্ত,গাউছিয়া এলাকায় মার্কেট খুলবে কি না


Notice: Trying to access array offset on value of type null in /mnt/volume_sgp1_04/met34v6b0d/public_html/details.php on line 293
|| মাটি এন্টারটেইনমেন্ট

প্রকাশিত: ১৭:৪২, ৫ এপ্রিল ২০২১
বৈঠকে সিদ্ধান্ত,গাউছিয়া এলাকায় মার্কেট খুলবে কি না

লকডাউনের মধ্যে দোকানপাট খোলা রাখার দাবির বিষয়ে বিকেলে বৈঠকে বসবে ঢাকা দক্ষিণ দোকান মালিক সমিতি। আলাপ-আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন গাউছিয়া মার্কেটকেন্দ্রিক দোকান মালিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক মো. মোশাররফ হোসেন।

মার্কেট খুলে দেওয়ার দাবিতে সকালে মাঠে নেমেছিলেন গাউছিয়া ও আশপাশের দোকানমালিক ও কর্মচারীরা। ঘণ্টা দুয়েক পর মিছিল–সমাবেশ শেষ হলেও তাঁরা গাউছিয়া ও এর আশপাশ এলাকায় ছোট ছোট জটলা করে অপেক্ষা করছিলেন ইতিবাচক কিছু শোনার আশায়।

তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে প্রথম আলোকে জানিয়েছেন গাউছিয়া মার্কেটকেন্দ্রিক দোকান মালিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক মো মোশাররফ হোসেন।

গাউছিয়া মার্কেট ও এর আশপাশের মুন ম্যানশন শপিং সেন্টার, ইশতিয়াক ম্যানশন, নূর ম্যানশন, হকার্স মার্কেটসহ বিভিন্ন মার্কেটের দোকান মালিক ও কর্মচারীরা রাস্তায় নামলেও লকডাউন ভেঙে কেউ দোকান খোলেননি। বিক্ষোভকারীদের বেশির ভাগের মুখেই মাস্ক ছিল। কারও কারও মাস্কে ছিল লকডাউনবিরোধী স্লোগান। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে তাঁদের আপত্তি নেই। কিন্তু মার্কেট খুলে দিতে হবে। বিক্ষোভ হলেও ব্যবসায়ীরা রাস্তা বন্ধ করেননি। যান চলাচল করছে।

গতকাল রোববারও গাউছিয়া ও এর আশপাশের মার্কেটের দোকান মালিক ও কর্মীরা একই দাবিতে বিক্ষোভ করেন। 

নিউমার্কেট জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) আবুল হাসান বলেন, সকাল নয়টার দিকে বিক্ষোভ শুরু হয়। ব্যবসায়ীরা রাস্তা বন্ধ করেননি। যান চলাচল করছে। তিনি আরও বলেন, ‘দোকান মালিক সমিতির নেতাদের আমরা বুঝিয়েছি যে তাঁদের স্বার্থেই সরকার এই লকডাউন দিয়েছে। তাঁরা বুঝেছে। এখন লোক কমে গেছে।’
সামি ওড়না হাউসের মালিক মো. ইসমাঈল প্রথম আলোকে বলেন, ‘গাউছিয়ার বেশির ভাগ দোকানে থান কাপড় বিক্রি হয়। বেশির ভাগই পাইকারি বিক্রেতা। খুচরা বিক্রেতাও আছেন। শবে বরাতের পর পাইকারি কাপড় বিক্রি হয়। অনেক টাকা বিনিয়োগ করে মাল তুলেছি। এখন বলে লকডাউন। এই কাপড় কী করব। এক বছর যে ডিজাইন চলে, সেইটা কি পরের বছর চলবে?’

মাসুম খান সুমন নামে আরেক ব্যবসায়ী বলেন, ‘বইমেলা চলতে পারলে কেন মার্কেটের বেচাকেনা বন্ধ থাকবে? গার্মেন্টস খোলা। কলকারখানাও খোলা। শুধু দোকানপাট বন্ধ থাকবে কেন?’

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই বাজারে বহু টাকার ভ্যাট–ট্যাক্স দিয়ে তাঁরা কাপড়চোপড় আমদানি করে বিক্রি করেন। কিন্তু তাঁরা কোনো সুযোগ–সুবিধা পান না। গত বছরেও করোনার কারণে তাঁদের ব্যবসায় ধস নামে। এ বছর এমন হলে তাঁরা আর টিকতে পারবেন না। 

মিছিল–সমাবেশ শেষে ব্যবসায়ীদের জটলার আশপাশে পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি দেখা গেছে। নিউমার্কেট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইয়াসিন আলী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের কাজ সরকারের নির্দেশনা মাঠে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, দেখা। আমরা আমাদের কাজ করছি। দোকানপাট যেন না খোলে নজর রাখছি। সরকার যদি বলে দোকানপাট খুলে দিতে, তাহলে খুলে যাবে।’