"৯৯৯" এ একটি মানবিক কলে নিরাপদে সন্তান জন্ম দিলেন এক নারী


Notice: Trying to access array offset on value of type null in /mnt/volume_sgp1_04/met34v6b0d/public_html/details.php on line 293
|| মাটি এন্টারটেইনমেন্ট

প্রকাশিত: ১৯:৪৫, ৮ জুন ২০২১

রাজু চৌধুরী :- চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর থানা এলাকায় ফুটপাতে প্রসব বেদনায় রাস্তার ধারে যন্ত্রনয় কষ্ট পাচ্ছিলেন মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারী। ''৯৯৯" সেবার মাধ্যমে থানা থেকে খবর পেয়ে ছুটে আসেন হালিশহর থানার এসআই সতেজ বড়ুয়া।

সোমবার (৭ জুন) বিকেল ৪টা ২০ মিনিট। নগরের নয়াবাজারের বিশ্বরোডের কাঁচাবাজারে প্রসব যন্ত্রণায় অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন ভারসাম্যহীন এক নারী। একজন সচেতন নাগরিকের একটি মানবিক কলে প্রসব যন্ত্রণায় কাতরানো সেই মানসিক ভারসাম্যহীন নারী পেলেন দ্রুত পুলিশের সহায়তা। 

সিএমপির হালিশহর থানার এসআই সতেজ বড়ুয়া তৎক্ষণাৎ '৯৯৯'  নাম্বারে কল করা সেই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর সেখানেই এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন সেই নারী। পাশেই মোবাইল ডিউটি করছিলেন হালিশহর থানার এসআই সতেজ বড়ুয়া। এমন সময় জানতে পারেন মানসিক ভারসাম্যহীন নারী প্রসব বেদনায় ছটফট করছেন। ছুটে যান ঘটনাস্থলে।

৯৯৯ নাম্বারে যোগাযোগ করা সচেতন নাগরিক সুমনসহ লাইটহাউজ কনসোর্টিয়াম এনজিওর পরিচালকসহ অন্যদের সহায়তায় প্রসূতি মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে রাস্তা থেকে তুলে ব্র্যাক মেটারনিটি সেন্টারে ভর্তি করান। সেখানে সাড়ে ৪টার দিকে একটি ছেলের জন্ম দেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বাচ্চা ও মায়ের দেখাশুনা করার জন্য লাইটহাউজ কনসোর্টিয়াম এনজিওর কর্মী শারমিনকে সঙ্গে নিয়ে বাচ্চা এবং বাচ্চার মায়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে বাচ্চাটিকে দেখাশুনার জন্য স্থানীয় এক দম্পতির কাছে হস্তান্তর করেন। 

মঙ্গলবার (৮ জুন) আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে।

এসআই সতেজ বড়ুয়া সাংবাদিকদের বলেন, থানা থেকে ফোন আসে মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারী ফুটপাতে যন্ত্রণায় ছটফট করছেন। খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে যাই। সঙ্গে সঙ্গে তাকে ফুটপাত থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি ছেলের জন্ম দেন। স্থানীয় এক এনজিওকর্মী এবং হাসপাতালের মালিক বিল পরিশোধের ব্যবস্থা করেন। মানসিক ভারসাম্যহীন প্রসূতি মা বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।