চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ১৮৪ মামলা


Notice: Trying to access array offset on value of type null in /mnt/volume_sgp1_04/met34v6b0d/public_html/details.php on line 293
|| মাটি এন্টারটেইনমেন্ট

প্রকাশিত: ১৫:৪৭, ২৫ জুলাই ২০২১
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ১৮৪ মামলা

রাজু চৌধুরী - চট্টগ্রাম

জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্টের অভিযানে   ১৮৪ মামলায় ৫২,৭৯০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) এর সংক্রমণ বিস্তার প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত সার্বিক কার্যাবলী ও  বিধি- নিষেধ  সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অভিযানের ধারাবাহিকতায় শনিবার ২৪ জুলাইও দিনব্যাপী  জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামে ১৮ জন  এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও বিআরটিএ,  চট্টগ্রাম এর ২ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সহ  মোট ২১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট  মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন, এই সময় বিধিনিষেধ অমান্যকারী বিভিন্ন দোকান , রেস্টুরেন্ট এবং শপিং মলে অভিযান পরিচালনা করে অর্থদণ্ড প্রদান করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষ কে স্বাস্থ্য বিধি প্রতিপালনে সচেতন করা হয়।  

নগরীর  ডবলমুরিং,  সদরঘাট  এলাকায় অভিযান পরিচালনায় করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা জান্নাত, ১৪ টা মামলায় মোট ৩২৫০/- টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। পতেঙ্গা,  ইপিজেড ও বন্দর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আতিকুর রহমান ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন,  ৩১ টি মামলায় ৮৮৪০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়। পাশাপাশি  হালিশহর ও পাহাড়তলি  এলাকায়  অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হাসান ও  এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুজন চন্দ্র রায়, ১০ টি মামলায় মোট ১০,৫০০টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়। বায়েজিদ ও আকবরশাহ  এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন  এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোজাম্মেল হক চৌধুরী ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী ,  ২২ টি মামলায় ৪৬০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাঈমা ইসলাম ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মামনুন আহমেদ অনিক  চকবাজার,  বাকলিয়া ও কর্ণফুলী  এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন, এ সময়  ১৮ টি মামলায় ৪১০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।  চাঁদগাও, পাঁচলাইশ ও খুলশী এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জিল্লুর রহমান ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্লাবন কুমার বিশ্বাস, ২৪ টি মামলায় ৪০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রাজিব হোসেন  বন্দর ও ইপিজেড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০ টি মামলায় ১৯০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। তাছাড়া পতেঙ্গা,  ইপিজেড,  বন্দর ডবলমুরিং,  সদরঘাট, খুলশী,  বায়েজিদ,  আকবরশাহ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক, তিনি ০৬ টি মামলায় ২৪০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। 

 বাকলিয়া,  চকবাজার,  চাঁদগাও, পাঁচলাইশ,  হালিশহর,  পাহাড়তলি,  কর্ণফুলী এলাকায়  অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হুছাইন মুহাম্মদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন ও প্রতীক দত্ত, এ সময় ৩৪ মামলায় মোট ১০২০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।

এছাড়া বিআরটিএ,  চট্টগ্রামের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহারিয়ার মুক্তার ও শান্তনু কুমার দাশ নিউমার্কেট,  নতুনব্রীজ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন, এ সময় ১৯ টি মামলায় মোট ৮৮০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ বিস্তার রোধে জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ।