ডবলমুরিং থানার `ফ্রি ইফতার অ্যান্ড সেহেরি শপ


Notice: Trying to access array offset on value of type null in /mnt/volume_sgp1_04/met34v6b0d/public_html/details.php on line 293
|| মাটি এন্টারটেইনমেন্ট

প্রকাশিত: ১১:৩৬, ২৮ এপ্রিল ২০২১
আপডেট: ১৬:১১, ২৮ এপ্রিল ২০২১
ডবলমুরিং থানার `ফ্রি ইফতার অ্যান্ড সেহেরি শপ

রাজু চৌধুরী :- চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানা-পুলিশ এক মানবিক উদ্যোগ নিয়ে হাজারো মানুষকে ফ্রি ইফতার-সেহেরি প্রদান করছে। 

উল্লেখ্য যে, গত ১৪ এপ্রিল থেকে মাসব্যাপী বিনা মূল্যে ‘ফ্রি ইফতার অ্যান্ড সেহে‌রি শপ’ চালু করে। এই মহান উদ্যোগে পুলিশের  সাথে মানবতার হাত বাড়িয়েছেন ছাত্র, শিক্ষক, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সমাজের নানা শ্রেণি–পেশার মানুষ। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ  প্রতিরোধে সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী শুরু হওয়া লক ডাউন এ নিম্ন আয়ের মানুষ ও রোগীর স্বজনদের কথা মাথায় রেখে ফ্রি ইফতার অ্যান্ড সেহেরি নামের এই শপ চালু করেছেন বলে জানিয়ে নগর পুলিশের উপকমিশনার (পশ্চিম) মো. আবদুল ওয়ারীশ বলেন, শুরুতে ডবলমুরিং থানা-পুলিশের সহায়তায় চালু হলেও এখন অনেকেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন । রমজান মাসজুড়ে এটি চালু থাকবে বলেও জানান চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন বলেন, দোকানপাট বন্ধ থাকায় হাসপাতালে রোগী ও তাঁদের স্বজনদের ইফতার-সেহেরি কষ্ট হয় লাগবে আমাদের এই উদ্যোগ। আগ্রাবাদ পুলিশ ফাঁড়িতে ইফতার ও সেহেরির খাবার তৈরি হয়। অফ ডিউটিতে থাকা পুলিশ সদস্যসহ প্রতিদিন ৮ জন স্বেচ্ছাসেবী ইফতার তৈরি ও বিতরণে সহায়তা করেন। এই কাজে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করছেন লিও ক্লাব অফ চিটাগং পোর্ট সিটি , লিও ক্লাব অফ চিটাগং ডাইনামিক সিটি এবং এস,এস সি-২০০২ এবং এইচ,এস সি-২০০৪ এর সদস্যরা। রান্না থেকে শুরু করে বিতরণ পর্যন্ত পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবীরাও থাকেন। রাত ১১টার পর শুরু হয় সেহেরির আয়োজন। চলে ভোর পর্যন্ত। আর বেলা ২টা থেকে শুরু হয় ইফতার তৈরির কাজ। তিনি আরও জানান, আমরা শুরু করেছি ২০০ প্যাকেট ইফতার ও ২০০ জনের সেহেরি দিয়ে। এখন প্রতিদিন অন্তত ৮০০ ইফতারসামগ্রী ও ৩০০ সেহেরির আয়োজন থাকে। প্রথমে আমরা আমাদের বেতনের একটা অংশ নিয়ে শুরু করি। পরে আমাদের সঙ্গে অসংখ্য মানুষ যুক্ত হয়েছেন। অধিকাংশ মানুষই নাম প্রকাশ করতে চান না। ছাত্র, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন সংগঠন, প্রবাসী আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মানবতার হাত প্রশস্ত করে দিয়েছেন।নিম্ন আয়ের মানুষ ও রোগী এবং পথচারী যে কেউ ইফতার ও সেহেরি সংগ্রহ করতে পারবে বিনামূল্যে। এ দোকানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফ্রি ইফতার এন্ড সেহেরি শপ’।

আমাদের ব্যতিক্রম উদ্যোগ, ব্যতিক্রম আয়োজন এবং ব্যতিক্রম দোকান। এটা এমন এক দোকান যে দোকানে কিনতে টাকা লাগে না।