রোববার থেকে দেশের সকল শিল্প ও কলকারখানা খুলে দেবার সিদ্ধান্ত 


Notice: Trying to access array offset on value of type null in /mnt/volume_sgp1_04/met34v6b0d/public_html/details.php on line 293
|| মাটি এন্টারটেইনমেন্ট

প্রকাশিত: ১৮:২৮, ৩১ জুলাই ২০২১
আপডেট: ১৮:৩০, ৩১ জুলাই ২০২১
রোববার থেকে দেশের সকল শিল্প ও কলকারখানা খুলে দেবার সিদ্ধান্ত 

বাংলাদেশে ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় চলমান কঠোর লকডাউনের মেয়াদ বাড়াতে আরও দুই সপ্তাহ পরমর্শ দিয়েছে সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। সে পরামর্শ উপেক্ষা করেই গতকাল শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক প্রজ্ঞাপন জারি করে আগামীকাল (রোববার) সকাল ৬টা থেকে দেশের সকল রপ্তানিমুখী শিল্প ও কলকারখানা খুলে দেবার সরকারি সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। আগামীকাল রোববার সকাল ৬টা থেকে এসব কারখানা বিধিনিষেধের আওতাবহির্ভূত থাকবে। গতকাল শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের এই সময়ে বিধিনিষেধ তুলে দিলে পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর হতে পারে। এর পরও রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা খুলে দেওয়া হচ্ছে। এখন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। বিষয়টি কঠোর নজরদারির আওতায় না রাখলে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।
সরকারের এ সিদ্ধান্তের ফলে তৈরি পোশাক, চামড়া, পাট ও পাটজাত পণ্য, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত ও হিমায়িত খাদ্য, প্লাস্টিক পণ্য, কেমিক্যাল প্রডাক্টস, ওষুধ, প্রকৌশলী যন্ত্রাংশ, কাগজ ও কাগজ পণ্য, রাবার ও কার্পেট খাতের শিল্পকারখানা খোলা থাকবে। পাশাপাশি এসব খাতের সঙ্গে সংযুক্ত সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক কারখানা খোলা রাখা যাবে। কঠোর লকডাউন শুরুর আগেই খাদ্য ও চামড়া প্রক্রিয়াজাত, ওষুধ ও করোনা সুরক্ষাসামগ্রী উৎপাদনকারী কারখানা বিধিনিষেধের আওতার বাইরে রাখার যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, তা অব্যাহত থাকবে।

এদিকে, কঠোর লকডাউনের মধ্যে রবিবার থেকে রপ্তানিমুখী কারখানা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তের খবর পেয়ে কর্মস্থলে ফিরতে গত রাত থেকেই মহাসড়কে নেমেছে শ্রমিকদের ঢল। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় তারা ছোট ছোট যানে ভেঙ্গে ভেঙ্গে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে কিংবা বৃষ্টি-বাদল উপেক্ষা করে পায়ে হেঁটেই গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন অনেকেই। পাটুরিয়া এবং মাওয়াতে একইভাবে ঢাকামুখী মানুষের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। শনিবার ভোর থেকে পদ্মানদীর উভয় স্থানে প্রতিটি ফেরিতে ছিল মানুষের গাদাগাদি করা ভিড়।তবে ছিল না স্বাস্থ্য বিধি মানার বালাই। 
এর আগে গত ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ১৪ দিন জরুরি সেবা ছাড়া সবকিছু বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

এতে তৈরি পোশাক রপ্তানি বাধার মুখে পড়ে। অনেক কোম্পানি ক্রয় আদেশ হারায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইর নেতৃত্বে রপ্তানিমুখী বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী নেতারা কয়েক দফা মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেন। গত বৃহস্পতিবারও তারা সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শিল্পকারখানা খুলে দেওয়ার দাবি জানান।